প্রেমের খারাপ প্রভাবে দেখা দিচ্ছে মানসিক চাপ, বুঝবেন কী করে সম্পর্ক মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে

অর্জুন আর রাইয়ের প্রেম বহু বছরের। সেই কলেজ থেকে আলাপ। অনেক সঠিক সময় এক সঙ্গে কাটিয়েছে। পড়াশোনা (Education) শেষে বেকারত্ব, তারপর নতুন চাকরি (Job), নতুন অফিসে (Office) মানিয়ে নেওয়া, এরই মাঝে বাড়ির সমস্যা। নানান সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে তারা। কিন্তু, প্রেম ভাঙেনি। এখন দুজনেই নিজেদের জীবনে সেটেল্ড (Settled)। দুজনেই চাকরি করে পছন্দের পেশায় (Profession)। মাঝে মধ্যে ভাবে বিয়েটা সেড়েই ফেলবে। কিন্তু, বিয়ের প্রসঙ্গ উঠলেই রাইয়ের মনে ভয় কাজ করে। মনে পড়ে যায় অশান্তিক কথা। বাইরে থেকে তাদের সম্পর্ক যতটা মধুর বাস্তবে তা নয়। গত ১ বছর ধরে প্রায়শই ঝগড়া হয়। বহুবার ভেবেছেন সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসবে, কিন্তু সাহস হয়নি। অশান্তি এমন স্তরে যায় যে মানসিক চাপ (Stress) অনুভূত হয় তাদের। এমন সমস্যা অনেকেই জীবনে। সম্পর্ক যে মানসিক স্বাস্থ্যের (Mental Health) ওপর প্রভাব ফেলছে তা সঠিক সময় বোঝা দরকার। জেনে নিন কী করে বুঝবেন, সম্পর্ক ভাঙার সময় এসেছে।
প্রেমিক কি সারাক্ষণ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন? আপনি বাড়ির বাইরে গেলেই অশান্তি করে। সামান্য মনোমালিন্য হলেই ভাবে যে সম্পর্ক শেষ হয়ে যাচ্ছে। আপনি হয়তো কাজের জন্য দূরে কোথাও গিয়েছেন, সে তুমুল অশান্তি করল। এছাড়া, আপনার সব কথা সে মেনে নেওয়াটাও নিরাপত্তাহীনতা (Insecurity)। যদি আপনাদের মতের মিল হচ্ছে না এমন জেনেও সে বার বার অশান্তি- ঝগড়া কিংবা বিচ্ছেদের ভয় আপনার সব কথা মেনে নেয়, তাহলে বুঝবেন সে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এমন সমস্যা দেখা দিলে, প্রথমে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। তা না হলে পরে অশান্তি বাড়তে পারে।
কোনও সম্পর্কের মাঝে সন্দেহ (suspicion) জন্ম নিলে, বুঝবেন তা শেষ হওয়ার সময় এসেছে। এটা এক ধরনের রোগ। এই রোগ মারাত্মক আকার নিতে পারে। আপনির কারও সঙ্গে কথা বললে সন্দেহ করা, বারে বারে আপনার ফোন চেক করা, আপনাকে বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা করতে বারণ করার মতো, আচরণগুলো দেখলে সতর্ক হন। মনে রাখবেন, সন্দেহ থেকে সহজেই ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। যা ব্রেকআপের কারণ হতে পারে।