সেক্স টয় কি নারী-পুরুষ উভয়ের চাহিদা মেটাতে পারে? 

পুরো বিশ্বে সেক্স টয় এখন ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে অবিবাহিত ও যাদের স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ ঘটেছে, তাদের মধ্যে এর চাহিদা অনেকাংশে বেড়েছে। সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

তবে মজার বিষয় হলো এখনো অনেকে সেক্স টয় সম্পর্কে অজ্ঞ। আবার অনেকে এটার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে উঠেছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো যারা অজ্ঞ, তারা এর কাজ কী? তা-ই জানে না।

২০১৮ সালের ‘কুপন দুনিয়া’ নামের একটি ওয়েবসাইটের সার্ভে রিপোর্টে উঠে এসেছিল এই তথ্যটি, তাতে বলা হয়েছে, ভারতের চারটি শহর সেক্স টয়ের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী। এই চার শহরের বাসিন্দারা নাকি ই-কমার্স ওয়েবসাইটে যাওয়া-আসা করে এর বিস্তারিত দেখে আর ক্রয় করে।

সে সময় সমীক্ষাটির মাধ্যমে আরো জানা গেছে, আরব সাগরের তীরেই যৌন খেলনা নিয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষের আগ্রহ দেখা যায়। আর সাগরের আশপাশের মানুষরা নাকি এর ক্রয় বেশি করে। এদিকে, কথায় আছে, মুম্বাই শহর নাকি কখনো ঘুমায় না। কাজের ব্যাপারে এই শহরের বাসিন্দারা যেমন সক্রিয়, যৌনতার ক্ষেত্রেও একই রকম চাহিদা তাদের।

তবে সে সমীক্ষায় আরো বলা হয়েছে, মুম্বাইয়ের পর সেক্স টয়ের ব্যাপারে বেশি আগ্রহ দেখা গেছে রাজধানী দিল্লিতে। এই শহরের মানুষ দৈনন্দিন ব্যস্ত থাকলেও সেক্স টয়ের ব্যাপারে এরা বেশি ওয়েবসাইটে গিয়ে উঁকি মারে, আর কেনে। আর তৃতীয় স্থানে রয়েছে চণ্ডীগড়। চতুর্থ স্থানে রয়েছে পূণে।

ভাউচার ক্লাউডের বেছে নেওয়া শব্দগুলো হলো, সেক্স টয়, ডিডলো, ভাইব্রেটর, কক রিং, স্ট্রাপ-অন, লুব্রিকেন্ট, অ্যানাল বেডস, প্লেজার রিং, সেক্স সুইং, সেক্স মেশিন, হ্যান্ডকাফস, বাট প্লাগস, ব্ল-আপ ডল, লাভ ইগ, সেক্সি কস্টিউমস, অ্যানাল টয়, জিগল বলস, বন্ডেজ টয়স। শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, ২০৫০ সালের মধ্যে যৌনসঙ্গী হিসেবে রোবটকে বেছে নেওয়ার হার অনেক বেড়ে যাবে। এতে সমাজের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *