ঠান্ডার আলস্য কাটিয়ে উদ্দাম যৌনতা, রতিক্রিয়ার এই কায়দাতেই করুন বাজিমাত

ঠান্ডার আলস্য কাটিয়ে উদ্দাম যৌনতা, রতিক্রিয়ার এই কায়দাতেই করুন বাজিমাত

একে ঠান্ডা, তায় আবার বৃষ্টির উসকানি। শীতল বিছনায় তুমুল আলস্য। এদিকে যে মনের কোণে রতিসুখের হাতছানি। শরীর পেতে চায় ছোঁয়া। কিন্তু আরামের কম্বল ছেড়ে বেরিয়ে আসা বড় কঠিন। এই কঠিন কাজটাই সহজ করে করতে হবে। শরীরকে পোষ মানাতে শিখুন। তাহলে এই শীতেও যৌন জীবন হয়ে উঠবে উপভোগ্য। এমন কিছু উপায় আছে যাতে শীতেও আপনার ও সঙ্গীর সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়বে কামনার আগুন। আর এই ‘একটু উষ্ণতার জন্য’ কী করতে হবে? না, তার জন্য নতুন করে বুদ্ধদেব গুহর উপন্যাস না পড়লেও চলবে। মগজাস্ত্র খাটিয়ে এই কয়েকটি উপায় অবলম্বন করলেই হবে।

যৌনতার ক্ষেত্রে নারী শরীরের দুই জোড়া পায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখবেন শীতের এই সময়ে পায়ের তলা সবার আগে ঠান্ডা হয়। তাই রাতে শোয়ার আগে আপনি আর সঙ্গী দুজনেই পায়ে পরে নেবেন মোজা। পায়ের উষ্ণতায় ঠান্ডা লাগবে কম। আর বাকি শরীরের দায়িত্ব আপনি কিংবা আপনার সঙ্গীর রতিক্রিয়ার কৌশলের উপর নির্ভর করছে।

যদি শরীরের মিলনের সময় মুখমেহনের সম্ভাবনা থাকে তাহলে তাঁর আগে গরম কফি কিংবা চা খেয়ে নেবেন। নিম্নাঙ্গের প্রান্তে যখন পৌঁছবেন ঠোঁটের কবোষ্ণ অনুভূতি হয়ে উঠবে আরামদায়ক।

যৌনমিলনের আগে সুগন্ধী চা পান করতে পারেন। এতে আপনার শরীর যেমন উষ্ণতার অনুভূতি পাবে, তেমনই আপনার উষ্ণ ঠোঁটের আলতো ছোঁয়াতেই সঙ্গীর কামোত্তেজনা কয়েকগুন বাড়িয়ে দেবে।

শীতকালে যদি কম্বলের আরাম ছেড়ে বের হতে না ইচ্ছে করে তাহলে সঙ্গীকেও ডেকে নিন সেই আবরণের আড়ালে। স্পুনিং পোজিশনের নাম শুনেছেন? ঠিক দুটো চামচের মতো একে অন্যের শরীরের সঙ্গে লেপটে থাকা। এতে লেপ ছেড়ে বেরও হতে হবে না, আবার যৌনতাও উপভোগ্য হয়ে উঠবে।

ঈষদুষ্ণ তেলের মালিশ। এর একাধিক লাভ আছে। শরীরের শুষ্কভাব দূর হয়ে কোমলতা আসবে, এই সুযোগে ফোর প্লেও সেরে নিতে পারবেন আর সঙ্গীর শরীরে জাগিয়ে তুলতে পারবেন রতিসুখের তীব্র আগ্রহ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *